নিজস্ব প্রতিবেদক
পটুয়াখালীর বাউফলে আদালতের আদেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে একটি টিনসেট ঘর সংস্কারের নামে পাকা ভবন তৈরী করার অভিগযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষ মতলেব গাজী ও তার ছেলে হাইকোট সহকারী প্রোগ্রামার হাসার গাজীর বিরুদ্ধে। তারা মদনপুরা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গাজী বাড়ীর বাসিন্দা।
এ ঘটনায় গত শুক্রবার বেলা ১১ টার দিকে বাউফল থানা পুলিশ শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে ভবন নির্মাণের কাজ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার নির্দেশনা দিলেও তা অগ্রহ্য করে নির্মাণ কাজ চালিয়ে যান প্রতিপক্ষ মতলেব গাজী ও তার ছেলে হাইকোট সহকারী প্রোগ্রামার হাসার গাজী ।
স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, উপজেলার মদনপুরা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড বাসিন্দা একই বাড়ীর মতলেব গাজী ও ছোকানুে বেগম ও রাবেয়া বেগম গং এর সঙ্গে জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ধরে বিরোধ চলছিল।
এ ঘটনায় রাবেয়া বেগম গং বাদী হয়ে মতলেব গাজী গংদের বিরুদ্ধে পটুয়াখালী সহকারী জজ আদালতে মামলা দায়ের করেন। আদালত বিরোধপূর্ন জমিতে উভয় পক্ষের কাজের ওপর স্থিতিঅবস্থা জারি করেন।
এরপর গত ১৭ মার্চ ওই মামলার বিবাদী মতলেব গাজী পুরান টিনের ঘর বসবাসের অনুপযোগী হওয়ায় ঘরটি সংস্কারের জন্য আদালতে আবেদন করলে আদালত আবেদন মঞ্জুর করে টিনের ঘড়টি সংস্কারের জন্য আদেশ দেন। আদালতের ওই আদেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বিবাদী মতলেব গাজী ও তার ছেলে পাকা ভবন নির্মান কাজ শুরু করেন। আদালত বন্ধ থাকায় বাদী পক্ষ পটুয়াখালী পুলিশ সুপারের কাছে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য একটি লিখিত আবেদন করেন। আবেদনের ভিওিতে বাউফল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যান। এ সময় পুলিশের সঙ্গে মতলেব গাজীর লোকজনের বিকবিতান্ডা হয়।
এক পর্যায় পুলিশ কোন ধরনের আদেশ না দিয়ে স্থান ত্যাগ করেন। এ ব্যাপারে বাউফল থানার এস.আই মনিরুজ্জামান বলেন, আমরা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। আমরা শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে মতলেব গাজীকে নির্মান কাজ বন্ধ রাখার জন্য বলেছি। বাদী ও বিবাদী উভয় পক্ষকে থানায় আসার জন্য বলা হলে বাদী পক্ষের লোকজন থানায় হাজির হলেও বিবাদী পত্ষ মোতালেব গাজী ও তার ছেলে উপস্থিত হননি।
মন্তব্য করুন