মোস্তাফিজুর রহমান সুজন,পটুয়াখালী
পটুয়াখালীর আউলিয়াপুর ইউনিয়নের মুচিরপুলের ফকির বাড়িতে (মাদক) নিষিদ্ধ ইয়াবা ট্যাবলেট বিক্রি করতে বাধাঁ দেয়ায় পুত্রবধূকে মারাধর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বৃহস্পতিবার ৫ ফেব্রুয়ারী সকালে বাড়িতে বসে মাদক বিক্রি করে রুপগাজী ফকির বাড়ির মোস্তফা ফকিরের মেয়ে জামাই কাশেম ও মেয়ে সেলিনা বেগম। কাশেম ও সেলিনা ঢাকা থেকে ইয়াবা ও গাঁজা এনে দীর্ঘদিন বাড়িতে বসে বিক্রি করে। মাদক বিক্রির অভিযোগে জামাই কাশেম কে পটুয়াখালী গোয়েন্দা ডিবি পুলিশ প্রথম বার ১৪৫ দ্বিতীয়বার ৭২ ইয়াবাসহ গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠান।
এসময় স্বামী কাশেমের অবর্তমানে মাদকের ব্যাবসা পরিচালনা করতেন ফকির বাড়ির মোস্তফা ফকিরের মেয়ে সেলিনা। দীর্ঘ তিনমাস পর জেল হাজত থেকে বেরিয়ে পুনরায় মাদকের ব্যবসা শুরু করেন জামাই কাশেম ও মেয়ে সেলিনা।
বাড়িতে বসে আজেবাজে নেশার ব্যবসা করতে নিষেধ করায় একই বাড়ির চাচাতো ভাই হাসিব গাজীর বউ আয়শা আকতার বাড়িতে বিভিন্ন ধরনের লোকজন আসা যাওয়া করতে দেখে বাড়ির মধ্যে ঢুকতে নিষেধ করলে এনিয়ে প্রথমে সেলিনার সাথে আয়শার ঝগড়া হলে স্বামী কাশেম পিছন থেকে আয়শার চুল ধরে ধাক্কা দিলে আয়শার শাশুড়ী ধরতে গেলে তাকে মেরে আহত করেন।
মাইর খেয়ে আয়শার শাশুড়ী অসুস্থ হয়ে পরলে তাকে বাড়ির লোকজন ও এলাকাবসী পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়।
এবিষয়ে মোস্তফা ফকিরের জামাই কাশেমের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে মারামারির ঘটনা অস্বীকার করে বলেন, ঝগড়া হয়েছে কিন্ত মারামারি হয় নাই। এবং মাদক বিক্রি করার কথা স্বীকার করে বলে ২০১৮ সালে আমি মাদক মামলায় জেল হাজতে ছিলাম আমাকে ডিবি ফিটিং মামলা দিয়েছে।
আর বর্তমানে মারামারি ঘটনা নয়ন ভাই থানার গোল ঘরে বসে শালিস করবে নয়ন ভাই মাদক ব্যবসায়ী কাশেম কে নয়ন ভাইয়ের পরিচয় জানতে চাইলে কাশেম বলেন, আমার বাড়ী জৈনকাঠি কেশবপুর নয়ন ভাই আমার অবিভাক এই বলে দ্রুত ফোন কেটে দেয় মাদক ব্যবসায়ী কাশেম। এলাকাবাসী ও বাড়ির লোকজন বলেন, কাশেম ফ্যাসিস্ট হাসিনার আমলে ঘরের বেড়ায় আওয়ামীলীগের ব্যানার টানিয়ে মাদক বিক্রি করতো।
মন্তব্য করুন