মোস্তাফিজুর রহমান সুজন, পটুয়াখালী।
পটুয়াখালী সদর উপজেলাধীন আউলিয়াপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৭নং ওয়ার্ডের চৌকিদার কামাল নিজস্ব প্রভাব খাটিয়ে অবৈধ ভাসমান ড্রেজার দিয়ে খাড়া অবদার রাস্তার পাশে ছোট খাল থেকে বালু উত্তলন করে নিজ বাড়ি ভড়াটের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
মঙ্গলবার ১৮ই ফেব্রুয়ারী আউলিয়াপুর ইউনিয়নের অফিসের হাট উত্তর বাদুরা গ্রামে অবৈধ ভাসমান ড্রেজার দিয়ে ৩০০০০ হাজার বালু উত্তলন করে বাড়ির বিল্ডিংয়ের ভরাট করেছে।
অবৈধভাবে ড্রেজার দিয়ে বালু ভরাটের খবর পেয়ে এলকার স্থানীয়রা হাতে নাতে ড্রেজার আটক করে পটুয়াখালী সদর ভুমি অফিসে খবর দেন। সদর ভুমি সহকারী কর্মকর্তা ও আউলিপুর ইউনিয়ন তহশিলদার মো. শাহজাহান কে ফোন দিলে শাহজান বিষয়টি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন।
বালু উত্তলন করার বিষয়টি জানানোর জন্য পটুয়াখালী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে তার ব্যবহৃত সরকারি মোবাইল নাম্বার 01733-334143 একাধিক ফোন করে পাওয়া যায়নি। পরের দিন ১৯ ফেব্রুয়ারি বুধবার সকালে নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি তবে তার স্টানো (CA) ইরানি আক্তার বলেন বিষয়টি আমাদের নলেজে এসেছে আমরা কামাল চৌকিদার কে ডেকেছি। ঘটনা তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বালু কাটার বিষয় কামাল চৌকিদারের স্বীকারোক্তি থাকা সত্বেও কোন রকম শাস্তি বা জরিমানা না করে বিষয়টি ধামাচাপা দিয়ে এরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছেন আউলিয়াপুর ইউনিয়ন সেক্রেটারি কর্মরত প্রশাসক বাচ্চু।
কে এই বাচ্চু নিজেকে বিএনপি নেতাও দাবি করেন
কামাল চৌকিদার বিগত ফ্যাসিস্ট হাসিনার দোষর কবির চেয়ারম্যানের টাকা কামনোর মেশিন ছিলেন
বিএনপি দলিয় লোকদের মামলার ভয় দেখিয়ে টাকা কামানোর ধান্দা ছিলো এই চৌকিদার কামালের।
আর এই প্রশাসক বাচ্চু কামাল চৌকিদার কে বাচিয়ে নেয়ার জন্য পায়তারা চালাচ্ছে।
কিন্তু স্থানীয় আউলিপুর ইউনিয়ন বাসীর অভিযোগ হলো ইউনিয়ন পরিষদের দ্বায়িত্ব হলো ইউএনও স্যার সেখানে কোন আচার বিচার দেখছি না। আমরা পাবলিক কিছু করলে জরিমানা করতো অথবা জেল হাজতে পাঠাতো আর ড্রেজার মালিক বশার সে একজন ভয়ানক লোক তাকে ভয় করে ইউনিয়নের সবাই বশারের কাজই হচ্ছে সরকারি জমি থেকে মাটি বা বালু কেটে বিক্রি করা।
অবৈধ ড্রেজার মালিক বশার এখন এলাকার সাধারন মানুষদের হুমকি ধামকি দিয়ে বেড়ায় এবং বলে বালু কাটি কি করতে পারছো ঐরকম প্রশাসন পকেটে রেখেই আমরা গাজার ব্যবসা চালাই আমরা মাগনা কাটি না উপজেলা অফিসে মাসিক টাকা দিয়ে থাকি আমকে পারলে কিছু করুক আমরা ঘুষ দিয়েই ব্যবসা করি।
মন্তব্য করুন