সাথী আক্তার, গলাচিপা।।
পটুয়াখালীর গলাচিপায় নদীতে পড়ে নিখোঁজের চার দিন অতিবাহিত হওয়ার পূর্বে হাসানের (৩০) অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার হয়েছে। শনিবার বিকাল ৪টার দিকে চর কাজল গ্যাস ফিন্ড নামক স্থানে নদীতে মৃতদেহটি ভাসতে দেখা যায়। গত মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারী) বিকেল ৫ টায় উপজেলার চর কাজল লঞ্চঘাটে মেয়ে দেখে নিজ গ্রামের বাড়ি ফেরার পথে লঞ্চঘাটের পল্টুন থেকে তেঁতুলিয়া নদীতে পড়ে যায় হাসান।
ঘটনার পর স্থানীয়রা এবং পটুয়াখালী সিভিল ডিফেন্স ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবরির একটি টিম দুদিন ঘটনাস্থলে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা অব্যাহত রেখেন। দীর্ঘ সময় অভিযান চলমান রাখলেও স্রোতের কারণে উদ্ধার অভিযান ব্যাহত হওয়ায় হাসানকে না পেয়ে উদ্ধার অভিযান বন্ধ করেন পটুয়াখালী সিভিল ডিফেন্স ও ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার আমিনুল ইসলাম।
পুলিশ ও হাসানের পরিবার সূত্রে জানাযায়, গলাচিপা উপজেলার ডাকুয়া ইউনয়নের ফুলখালী গ্রামের নুরু হাওলাদারের ছেলে হাসান বিয়ে করার উদ্দেশ্যে মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার চরকাজলে আসেন।
সেখানে মেয়ে বাড়ি খাওয়া দাওয়া শেষ করে ওই দিন বিকেলেই গলাচিপার ডাকুয়া গ্রামের বাড়িতে ফিরে আসার জন্য চরকাজল লঞ্চঘাটে খেয়ার অপেক্ষা করেন। তখন লঞ্চঘাটের পল্টুন থেকে তেঁতুলিয়া নদীতে পড়ে যায় হাসান। পরে হাসানকে উদ্ধারের জন্য পটুয়াখালী সিভিল ডিফেন্স ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরী দল দুই দিন চেষ্টা করেও উদ্ধার কাজ পরিত্যাক্ত ঘোষণা করেন। নিখোঁজের চারদিনের শেষ সময়ে শনিবার বিকেল ৪টার দিকে হাসানের লাশ তেতুলিয়া নদীর চরকাজল এলাকার গ্যাস ফিল্ডের কাছে ভেসে উঠে।
লাশ দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দিলে তারা লাশ উদ্ধার করে নৌ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করবে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এদিকে হাসানকে উদ্ধারের হওয়ারর খবর পেয়ে তার পরিবারের লোকজন ঘটনাস্থল তেতুলিয়া নদীর গ্যাস ফিল্ডে রওয়ানা দিয়েছেন।
গলাচিপা উপজেলার চরশিবা পুলিশ ফাড়ি ইনচার্জ এসআই মো. কামাল উদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে আমরা লাশটি উদ্ধার করি। হাসানের পরিবারের লোকজন খবর দেওয়া হয়েছে। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
মন্তব্য করুন